Home > বিনোদন > রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন

দরপতনের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার আভাস দিচ্ছে দেশের শেয়ারবাজারে। গত সপ্তাহের শেষ দুই কার্যদিবসে দেখা দেয়া ঊর্ধ্বমুখীতার প্রভাবে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সবকটি মূল্যসূচক বেড়েছে। সেই সঙ্গে দাম বেড়েছে ৬১ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের। এরপরও সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার ওপরে বাজার মূলধন হারিয়েছে ডিএসই।গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৫০। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৫৭২ কোটি টাকা।

বাজার মূলধন হারালেও গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনের অংশ নেয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে মাত্র ২১৪টির দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। অপরদিকে দাম কমেছে ১১০টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির দাম।বেশরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার প্রভাবে গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২০ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি কমে ৫৫ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

অপর দুটি মূল্যসূচকের মধ্যে গত সপ্তাহে ডিএসই-৩০ আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে ৬ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি কমে ৩৩ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক বেড়েছে ১০ দশমিক ১০ পয়েন্ট বা দশমিক ৮৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি কমে ১২ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।এদিকে সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৮৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৩৪১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৪১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বা ১২ দশমিক ২৩ শতাংশ।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫৩৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ১৬৭ কোটি ৬ লাখ টাকা বা ১২ দশমিক ২৩ শতাংশ।গত সপ্তাহে মোট লেনদেনের ৮৩ দশমিক ৮৪ শতাংশই ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দখলে। এছাড়া বাকি ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের এবং ১ দশমিক ৩১ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ফরচুন সুজের শেয়ার। কোম্পানিটির ৫৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা সপ্তাহজুড়ে হওয়া মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ।দ্বিতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। ৪৭ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুন্নু সিরামিকের।লেনদেনে এরপর রয়েছে- ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিসটিবিউশন কোম্পানি, জিনেক্স ইনফোসিস, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস, ন্যাশনাল টিউবস, এস্কয়ার নিট কম্পোজিট, ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস।

শেয়ার করুন :

তবুও সাড়ে পাঁচশ কোটি টাকা মূলধন হারিয়েছে (ডিএসই)

প্রকাশের সময়ঃ ৪:১২ বিকাল

প্রকাশের তারিখঃ মে ৩, ২০১৯

দরপতনের বৃত্ত থেকে বেরিয়ে আসার আভাস দিচ্ছে দেশের শেয়ারবাজারে। গত সপ্তাহের শেষ দুই কার্যদিবসে দেখা দেয়া ঊর্ধ্বমুখীতার প্রভাবে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সবকটি মূল্যসূচক বেড়েছে। সেই সঙ্গে দাম বেড়েছে ৬১ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের। এরপরও সাড়ে ৫০০ কোটি টাকার ওপরে বাজার মূলধন হারিয়েছে ডিএসই।গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৮৭৮ কোটি টাকা। যা তার আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ছিল ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৪৫০। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৫৭২ কোটি টাকা।

বাজার মূলধন হারালেও গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেনের অংশ নেয়া সিংহভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ৩৫০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের মধ্যে মাত্র ২১৪টির দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। অপরদিকে দাম কমেছে ১১০টির। আর দাম অপরিবর্তিত রয়েছে ২৬টির দাম।বেশরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার প্রভাবে গত সপ্তাহে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়েছে ২০ দশমিক ৫৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৯ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি কমে ৫৫ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

অপর দুটি মূল্যসূচকের মধ্যে গত সপ্তাহে ডিএসই-৩০ আগের সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে ৬ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৩৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি কমে ৩৩ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৭৭ শতাংশ।আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক বেড়েছে ১০ দশমিক ১০ পয়েন্ট বা দশমিক ৮৩ শতাংশ। আগের সপ্তাহে এ সূচকটি কমে ১২ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট বা ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।এদিকে সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে ডিএসইতে গড়ে লেনদেন হয়েছে ৩৮৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে লেনদেন হয় ৩৪১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ প্রতি কার্যদিবসে গড় লেনদেন বেড়েছে ৪১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা বা ১২ দশমিক ২৩ শতাংশ।

আর গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৫৩৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয় ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেন বেড়েছে ১৬৭ কোটি ৬ লাখ টাকা বা ১২ দশমিক ২৩ শতাংশ।গত সপ্তাহে মোট লেনদেনের ৮৩ দশমিক ৮৪ শতাংশই ছিল ‘এ’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের দখলে। এছাড়া বাকি ৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ ‘বি’ ক্যাটাগরিভুক্ত, ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ ‘এন’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের এবং ১ দশমিক ৩১ শতাংশ ‘জেড’ ক্যাটাগরিভুক্ত কোম্পানির শেয়ারের।

সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ফরচুন সুজের শেয়ার। কোম্পানিটির ৫৮ কোটি ৭৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। যা সপ্তাহজুড়ে হওয়া মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ।দ্বিতীয় স্থানে থাকা ন্যাশনাল পলিমার ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা, যা সপ্তাহের মোট লেনদেনের ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ। ৪৭ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুন্নু সিরামিকের।লেনদেনে এরপর রয়েছে- ইউনাইটেড পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিসটিবিউশন কোম্পানি, জিনেক্স ইনফোসিস, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস, ন্যাশনাল টিউবস, এস্কয়ার নিট কম্পোজিট, ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস।