Home > বিনোদন > রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন

ফসলি জমিতে ছাগল নামা নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে লাঠির আঘাতে প্রাণ হারিয়েছে তিন মাস বয়সী এক শিশু। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দিঘা মার্কেটপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর নাজিরা বেগম নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।নিহত শিশুর নাম মো. আরিয়ান। সে দিঘা মার্কেটপাড়া গ্রামের কৃষক আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। বুধবার সকালে পুলিশ আরিয়ানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে। আর তার মৃত্যুর ঘটনায় আবদুর রাজ্জাক গোদাগাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফসলি জমিতে ছাগল নামা নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে তার প্রতিবেশি তহুরুল ইসলামের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। তখন রাজ্জাকের মা শিশু আরিয়ানকে কোলে নিয়েই রাজ্জাককে সরিয়ে নিতে যান। ওই সময় একটি লাঠির আঘাত লাগে শিশু আরিয়ানের শরীরে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

গোদাগাড়ী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, খবর পেয়ে তারা মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেন। পরে বুধবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। আর এ ঘটনায় রাজ্জাক বাদী হয়ে থানায় হত্যামামলা করেছেন। এ মামলার আসামি নাজিরা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি তহুরুল ইসলামের স্ত্রী।মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।

শেয়ার করুন :

লাঠির আঘাতে প্রাণ হারালো ৩ মাসের শিশু

প্রকাশের সময়ঃ ৪:০৩ বিকাল

প্রকাশের তারিখঃ মে ১৫, ২০১৯

ফসলি জমিতে ছাগল নামা নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ। এই সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে লাঠির আঘাতে প্রাণ হারিয়েছে তিন মাস বয়সী এক শিশু। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দিঘা মার্কেটপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর নাজিরা বেগম নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।নিহত শিশুর নাম মো. আরিয়ান। সে দিঘা মার্কেটপাড়া গ্রামের কৃষক আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। বুধবার সকালে পুলিশ আরিয়ানের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠিয়েছে। আর তার মৃত্যুর ঘটনায় আবদুর রাজ্জাক গোদাগাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ফসলি জমিতে ছাগল নামা নিয়ে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় আবদুর রাজ্জাকের সঙ্গে তার প্রতিবেশি তহুরুল ইসলামের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। তখন রাজ্জাকের মা শিশু আরিয়ানকে কোলে নিয়েই রাজ্জাককে সরিয়ে নিতে যান। ওই সময় একটি লাঠির আঘাত লাগে শিশু আরিয়ানের শরীরে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

গোদাগাড়ী থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, খবর পেয়ে তারা মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেন। পরে বুধবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়। আর এ ঘটনায় রাজ্জাক বাদী হয়ে থানায় হত্যামামলা করেছেন। এ মামলার আসামি নাজিরা বেগমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি তহুরুল ইসলামের স্ত্রী।মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।