Home > বিনোদন > রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন

২০ বছর পর ইংল্যান্ডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের আসর বসতে চলেছে। এরই মধ্যে কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। ক্রিকেটের মহারণে নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে প্রতিটি দেশ। এই বিশ্বকাপ যেমন অনেক তরুণ প্রতিভাকে দেখা যাবে, তেমনই এমন বেশ কয়েক জন ক্রিকেটার রয়েছেন যাদের কাছে এই বিশ্বকাপই শেষ।
ইমরান তাহির: বয়স ৪০। এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার। ৩২ বছর বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় দলে সুয়োগ পান এই লেগ ব্রেক বোলার। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আন্তুর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ ঘটে তার। তার পর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ৯৮টি ওয়ানডেতে মোট ১৬২টি উইকেট নিয়েছেন তিনি।
ক্রিস গেইল: ওয়েস্ট ইন্ডিজের অন্যতম সফল ক্রিকেটার। বিশ্বের অন্যতম বিধ্বংসী ক্রিকেটার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৮ হাজারেরও বেশি রান আছে তার। এক দিনের আন্তর্জাতিকে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড রয়েছে তার দখলে। বয়স ৩৯। এটাই সম্ভবত তার শেষ বিশ্বকাপ। ২৮৮টি ওয়ান ডে খেলেছেন। ১০ হাজারের বেশি রান করেছেন।
শোয়েব মালিক: ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ এই পাক অলরাউন্ডারের। দলের হয়ে অনেক ম্যাচে উইনিং পারফরম্যান্স রয়েছে তার। দেশের হয়ে ২৭৬টি ওডিআই খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতা এই বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ৩৭ পেরিয়ে যাচ্ছেন শোয়েব। এটাই সম্ভবত তার শেষ বিশ্বকাপ।
মহেন্দ্র সিং ধোনি: ক্যাপ্টেন কুল নামেই ক্রিকেট মহলে পরিচিত। বয়স এই মুহূর্তে ৩৮। তার নেতৃত্বে ভারত ২০১১-র বিশ্বকাপ এবং ২০১৩-র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতে। টেস্ট থেক অবসর নিলেও বাকি ফরম্যাটগুলোতে এখনও খেলছেন মাহি। এখনও পর্যন্ত ৩৪১টি ওডিআই খেলেছেন। রান ১০ হাজারেরও বেশি। সর্বোচ্চ স্কোর ১৮৩।
মহম্মদ হাফিজ: এই বিশ্বকাপের অন্যতম সিনিয়র ক্রিকেটার। বয়স ৩৮। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। দেশের হয়ে ২০৮টি ওয়ানডে খেলেছেন এই পাক ক্রিকেটার। রান করেছেন ৬ হাজারের ওপর। উইকেট নিয়েছেন ১৩৭টি।
লাসিথ মালিঙ্গা: বয়স ৩৫। সম্ভবত এটাই শেষ বিশ্বকাপ শ্রীলঙ্কার এই ডানহাতি পেসারের। তার অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশন এবং ইয়র্কার গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে। ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ। ২১৩টি ওডিআই খেলে ৩১৮টি উইকেট নিয়েছেন। ৩০টি টেস্টে ১০১টি উইকেট এবং ৭০টি টি-টোয়েন্টিতে ৯৪টি উইকেট রয়েছে তার।

শেয়ার করুন :

ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা রয়েছে যে তারকা ক্রিকেটারদের

প্রকাশের সময়ঃ ২:৫৭ বিকাল

প্রকাশের তারিখঃ মে ১৫, ২০১৯

২০ বছর পর ইংল্যান্ডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের আসর বসতে চলেছে। এরই মধ্যে কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। ক্রিকেটের মহারণে নিজেদের উজাড় করে দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে প্রতিটি দেশ। এই বিশ্বকাপ যেমন অনেক তরুণ প্রতিভাকে দেখা যাবে, তেমনই এমন বেশ কয়েক জন ক্রিকেটার রয়েছেন যাদের কাছে এই বিশ্বকাপই শেষ।
ইমরান তাহির: বয়স ৪০। এই টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বয়স্ক ক্রিকেটার। ৩২ বছর বয়সে দক্ষিণ আফ্রিকার জাতীয় দলে সুয়োগ পান এই লেগ ব্রেক বোলার। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আন্তুর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ ঘটে তার। তার পর থেকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ৯৮টি ওয়ানডেতে মোট ১৬২টি উইকেট নিয়েছেন তিনি।
ক্রিস গেইল: ওয়েস্ট ইন্ডিজের অন্যতম সফল ক্রিকেটার। বিশ্বের অন্যতম বিধ্বংসী ক্রিকেটার। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৮ হাজারেরও বেশি রান আছে তার। এক দিনের আন্তর্জাতিকে দ্রুততম ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড রয়েছে তার দখলে। বয়স ৩৯। এটাই সম্ভবত তার শেষ বিশ্বকাপ। ২৮৮টি ওয়ান ডে খেলেছেন। ১০ হাজারের বেশি রান করেছেন।
শোয়েব মালিক: ১৯৯৯ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ এই পাক অলরাউন্ডারের। দলের হয়ে অনেক ম্যাচে উইনিং পারফরম্যান্স রয়েছে তার। দেশের হয়ে ২৭৬টি ওডিআই খেলেছেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার অভিজ্ঞতা এই বিশ্বকাপে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ৩৭ পেরিয়ে যাচ্ছেন শোয়েব। এটাই সম্ভবত তার শেষ বিশ্বকাপ।
মহেন্দ্র সিং ধোনি: ক্যাপ্টেন কুল নামেই ক্রিকেট মহলে পরিচিত। বয়স এই মুহূর্তে ৩৮। তার নেতৃত্বে ভারত ২০১১-র বিশ্বকাপ এবং ২০১৩-র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জেতে। টেস্ট থেক অবসর নিলেও বাকি ফরম্যাটগুলোতে এখনও খেলছেন মাহি। এখনও পর্যন্ত ৩৪১টি ওডিআই খেলেছেন। রান ১০ হাজারেরও বেশি। সর্বোচ্চ স্কোর ১৮৩।
মহম্মদ হাফিজ: এই বিশ্বকাপের অন্যতম সিনিয়র ক্রিকেটার। বয়স ৩৮। বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। দেশের হয়ে ২০৮টি ওয়ানডে খেলেছেন এই পাক ক্রিকেটার। রান করেছেন ৬ হাজারের ওপর। উইকেট নিয়েছেন ১৩৭টি।
লাসিথ মালিঙ্গা: বয়স ৩৫। সম্ভবত এটাই শেষ বিশ্বকাপ শ্রীলঙ্কার এই ডানহাতি পেসারের। তার অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশন এবং ইয়র্কার গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে। ২০০৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ। ২১৩টি ওডিআই খেলে ৩১৮টি উইকেট নিয়েছেন। ৩০টি টেস্টে ১০১টি উইকেট এবং ৭০টি টি-টোয়েন্টিতে ৯৪টি উইকেট রয়েছে তার।