Home > বিনোদন > রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. এম আসাদুজ্জামান বুধবার ডয়চে ভেলেকে বলেন, দেশে ধানের যে বাম্পার ফলন হবে তা আগেই বোঝা গেছে। আর ২০১৭ সালের হাওরে বন্যার কারণে শুল্ক প্রত্যাহারের সুবিধায় ২৭-২৮ লাখ মেট্রিক টন চাল এসেছে বাইরে থেকে। কিন্তু আপদ কেটে গেলেও সরকার আর চাল আমদানির ট্যারিফ বাড়ায়নি। এটা আসলে অ্যাডজাস্ট করা উচিত ছিলো। আগের খাদ্যমন্ত্রী তো খাদ্য ছাড়া আর সব বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী ছিলেন। আর বতৃমান খাদ্যমন্ত্রী নাকি চালকলের মালিকদের দ্বারা পরিচালিত। ধানের বাম্পার ফলন এবং চালকল মালিকদের হাতে ধান মজুদ থাকার কারণে চালকল মালিকরা ধান কিনছে কম। ফলে ধানের দাম পড়ে গেছে। এটা সরকারের আগেই দেখা উচিত ছিলো।

তিনি বলেন, আমরা অনেক বছর আগেই বলেছিলাম যে, দেশে কৃষি শ্রমিকের সংকট দেখা দেবে। এখন সেটা দেখা দিয়েছে। আর কৃষি শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে অনেক। আড়াইশ টাকার কৃষি শ্রমিক এখন এক হাজার টাকা।

তার মতে, কৃষক যদি এখন ধান বিক্রি না করে ধরে রাখতে পারত তাহলে দাম পেতো । কিন্তু সেই ব্যবস্থা তো সরকার করেনি। আর ধানের মান ভালো রাখার জন্যও তো কৃষকদের কোনো সহায়তা দেয়া হয় না । কৃষিমন্ত্রী রপ্তানির চিন্তা-ভাবনার কথা বলছেন। কিন্তু সেটা কবে? চিন্তা করে সময় কাটালে তো কৃষক সর্বশান্ত হয়ে যাবে।

শেয়ার করুন :

বর্তমান খাদ্যমন্ত্রী নাকি চালকল মালিক দ্বারা পরিচালিত, বললেন কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. এম আসাদুজ্জামান

প্রকাশের সময়ঃ ১:০২ বিকাল

প্রকাশের তারিখঃ মে ১৫, ২০১৯

কৃষি অর্থনীতিবিদ ড. এম আসাদুজ্জামান বুধবার ডয়চে ভেলেকে বলেন, দেশে ধানের যে বাম্পার ফলন হবে তা আগেই বোঝা গেছে। আর ২০১৭ সালের হাওরে বন্যার কারণে শুল্ক প্রত্যাহারের সুবিধায় ২৭-২৮ লাখ মেট্রিক টন চাল এসেছে বাইরে থেকে। কিন্তু আপদ কেটে গেলেও সরকার আর চাল আমদানির ট্যারিফ বাড়ায়নি। এটা আসলে অ্যাডজাস্ট করা উচিত ছিলো। আগের খাদ্যমন্ত্রী তো খাদ্য ছাড়া আর সব বিষয়ে কথা বলতে আগ্রহী ছিলেন। আর বতৃমান খাদ্যমন্ত্রী নাকি চালকলের মালিকদের দ্বারা পরিচালিত। ধানের বাম্পার ফলন এবং চালকল মালিকদের হাতে ধান মজুদ থাকার কারণে চালকল মালিকরা ধান কিনছে কম। ফলে ধানের দাম পড়ে গেছে। এটা সরকারের আগেই দেখা উচিত ছিলো।

তিনি বলেন, আমরা অনেক বছর আগেই বলেছিলাম যে, দেশে কৃষি শ্রমিকের সংকট দেখা দেবে। এখন সেটা দেখা দিয়েছে। আর কৃষি শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে অনেক। আড়াইশ টাকার কৃষি শ্রমিক এখন এক হাজার টাকা।

তার মতে, কৃষক যদি এখন ধান বিক্রি না করে ধরে রাখতে পারত তাহলে দাম পেতো । কিন্তু সেই ব্যবস্থা তো সরকার করেনি। আর ধানের মান ভালো রাখার জন্যও তো কৃষকদের কোনো সহায়তা দেয়া হয় না । কৃষিমন্ত্রী রপ্তানির চিন্তা-ভাবনার কথা বলছেন। কিন্তু সেটা কবে? চিন্তা করে সময় কাটালে তো কৃষক সর্বশান্ত হয়ে যাবে।