Home > বিনোদন > রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার অভিনন্দন

শুধু চীন নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই হুমকির কারণে বাণিজ্যযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে পুরো বিশ্বে। গতবছর বছর স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ঢালাওভাবে মার্কিন শুল্কারোপের পরই এর সূচনা হলেও পাল্টাপাল্টি শুল্কারোপের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে মেক্সিকো, কানাডা, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও। তবে বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যেই মার্কিনিদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেন, ‘আমরাতো মাটির ব্যাংক নই যে সবাই এখান থেকে সুবিধা নিবে। সম্ভবত মার্কিন অর্থনীতি অতীতের চেয়ে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। তবে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ২২ ট্রিলিয়ন ডলার বাণিজ্য ঘাটতি আছে। চীনের পণ্যে শুল্কারোপের মাধ্যমে ১.৩ ট্রিলিয়ন হ্রাস পেলেও বাকি ঘাটতি মেটাতে পুরো বিশ্বের ওপর শুল্কারোপ করতে হবে।’তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ব হয়তো গণমাধ্যমে দেখছে যে, যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ওয়াশিংটন নিরাপদ অবস্থানেই রয়েছে। তবে আপনারা যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্যায় আচরণ বন্ধ না করেন তবে সবার ওপরই শুল্কারোপ করা হবে।’

ট্রাম্প চীনের ২০ হাজার কোটি ডলারের পণ্যে ২৫ ভাগ শুল্কারোপ করেন, এবার বাকি ৩০ হাজার কোটি ডলারের পণ্যেও শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা হচ্ছে। এটি করা হলে বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাবে প্রতি মার্কিনির খরচ বেড়ে যাবে ৭৭০ ডলার এবং প্রতি ৪ মার্কিনির বাৎসরিক খরচ বাড়বে প্রায় ২ হাজার ৩শ ডলার। সদ্য সমাপ্ত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানান আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও অর্থনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রধান লরা বঘম্যান।

শেয়ার করুন :

পুরো বিশ্বকে শুল্কারোপের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

প্রকাশের সময়ঃ ১০:৩২ সকাল

প্রকাশের তারিখঃ মে ১৫, ২০১৯

শুধু চীন নয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই হুমকির কারণে বাণিজ্যযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে যাচ্ছে পুরো বিশ্বে। গতবছর বছর স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর ঢালাওভাবে মার্কিন শুল্কারোপের পরই এর সূচনা হলেও পাল্টাপাল্টি শুল্কারোপের পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে মেক্সিকো, কানাডা, ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নও। তবে বাণিজ্যযুদ্ধের কারণে ইতোমধ্যেই মার্কিনিদের জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।
ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেন, ‘আমরাতো মাটির ব্যাংক নই যে সবাই এখান থেকে সুবিধা নিবে। সম্ভবত মার্কিন অর্থনীতি অতীতের চেয়ে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। তবে এখনো যুক্তরাষ্ট্রের ২২ ট্রিলিয়ন ডলার বাণিজ্য ঘাটতি আছে। চীনের পণ্যে শুল্কারোপের মাধ্যমে ১.৩ ট্রিলিয়ন হ্রাস পেলেও বাকি ঘাটতি মেটাতে পুরো বিশ্বের ওপর শুল্কারোপ করতে হবে।’তিনি আরো বলেন, ‘বিশ্ব হয়তো গণমাধ্যমে দেখছে যে, যুক্তরাষ্ট্র একটি বাণিজ্যযুদ্ধের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ওয়াশিংটন নিরাপদ অবস্থানেই রয়েছে। তবে আপনারা যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্যায় আচরণ বন্ধ না করেন তবে সবার ওপরই শুল্কারোপ করা হবে।’

ট্রাম্প চীনের ২০ হাজার কোটি ডলারের পণ্যে ২৫ ভাগ শুল্কারোপ করেন, এবার বাকি ৩০ হাজার কোটি ডলারের পণ্যেও শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা হচ্ছে। এটি করা হলে বাণিজ্যযুদ্ধের প্রভাবে প্রতি মার্কিনির খরচ বেড়ে যাবে ৭৭০ ডলার এবং প্রতি ৪ মার্কিনির বাৎসরিক খরচ বাড়বে প্রায় ২ হাজার ৩শ ডলার। সদ্য সমাপ্ত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানান আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও অর্থনৈতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রধান লরা বঘম্যান।