পুতিনের সহযোগীদের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

আন্তর্জাতিক

বিশ্বব্যাপী রাশিয়ার ‘অনিষ্টকর কর্মকান্ডের’ শাস্তি হিসাবে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ৭ সহযোগী এবং ১৭ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

পুতিন সহযোগীদের মালিকানাধীন ১২ টি কোম্পানি, রাষ্ট্রীয় অস্ত্র রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান এবং একটি ব্যাংকও এ নিষেধাজ্ঞার কবলে পড়েছে।

পুতিনের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের মধ্যে রয়েছেন ধনকুবের ওলেগ দেরিপাসকার এবং রাশিয়ার সবচেয়ে বড় স্বর্ণখনি কোম্পানির কর্ণধার আইনপ্রণেতা সুলেইমান কারিমভের মত ব্যক্তিরা। নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সম্পদ জব্দ হবে।

শুক্রবার এক বিবৃতিতে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্টিভেন মিউচিন বলেছেন, রাশিয়ার ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ সমাজ ব্যবস্থা থেকে যারা লাভবান হচ্ছে তাদের জন্য এ শাস্তি।

তাছাড়া, ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ এবং ক্রিমিয়া, পূর্ব ইউক্রেইন ও সিরিয়ায় রাশিয়ার কর্মকান্ডের জবাবেও নিষেধাজ্ঞার এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মিউচিন রাশিয়ার বিরুদ্ধে ঘৃণ্য সাইবার হামলার অভিযোগও তুলেছেন। তিনি বলেন, পুতিনের সরকার থেকে যারা সুবিধা পাচ্ছেন তারাও নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য।

মস্কোর বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া এটিই সবচেয়ে আগ্রাসী পদক্ষেপ। রাশিয়া এখনো বিষয়টি নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ এবং সাইবার হামলার অভিযোগে ১৯ রুশের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল।

তাছাড়া, যুক্তরাজ্যে সাবেক রুশ গুপ্তচর সের্গেই স্ক্রিপাল ও তার মেয়েকে হত্যাচেষ্টার ঘটনার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার ৬০ কূটনীতিককেও বহিস্কার করেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *