আইপিএল নিয়ে আফ্রিদির সোজা-সাপটা জবাব

আইপিএল

সম্প্রতি কাশ্মীর সমস্যা নিয়ে ভারতকে দোষারোপ করে টুইট করেছিলেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি। আর তাতে ভারতের সাবেক থেকে বর্তমান ক্রিকেটারদের ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছেন তিনি।

এ নিয়ে মোহাম্মদ কাইফ টুইট করেছিলেন, ‘পাকিস্তানের খেলোয়াড়েরা আইপিএলে খেলার সুযোগ পেলে আফ্রিদি এ ধরনের কথা বলতেন—এটা আমি ভাবতেও পারি না।’ ভারতের সাবেক ক্রিকেটারের এই সপাট ড্রাইভের জবাবে আফ্রিদি পাল্টা গুগলি, আইপিএলে ডাকলেও খেলতাম না।

ভারতের নিয়ন্ত্রণাধীন কাশ্মীরের শ্রীনগরে এর আগে বন্দুকযুদ্ধে তিন ভারতীয় সৈন্য ও ১৩ জন সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত হয়। আফ্রিদি এর প্রতিবাদে মুখর হয়ে টুইট করেন, ‘ভারতের দখল করা কাশ্মীরের পরিস্থিতি ভয়াবহ এবং উদ্বেগজনক। স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলায় প্রাণ হারাতে হচ্ছে নিরীহ মানুষদের। অবাক হচ্ছি, জাতিসংঘ কিংবা অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এখন কোথায়? এই রক্তপাত বন্ধে তারা কি কিছুই করবে না?’

তার এই প্রতিবাদে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ভারতের সাবেক ক্রিকেটার থেকে শুরু করে বর্তমান ক্রিকেটাররা। তাই পাল্টা জবাবে দেন গৌতম গম্ভীর, বিরাট কোহলি, কপিল দেবের মতো তারকারা।

শচীন টেন্ডুলকারের মতো ক্রিকেট ব্যক্তিত্ব পর্যন্ত বলেছেন, ‘বাইরের কারও জানা কিংবা বলার দরকার নেই কী করা উচিত।’ সুরেশ রায়নার টুইট, ‘আশা করি, আফ্রিদি ভাই পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে কাশ্মীরে সন্ত্রাস ও যুদ্ধ থামানোর অনুরোধ করবেন।’

আফ্রিদিও চুপ করে বসে থাকার পাত্র নয়। বলা যায় ‘বুম বুম’ ব্যাটিংই করলেন! ‘পাক প্যাশন’কে ৩৮ বছর বয়সী আফ্রিদি বলেছেন, ‘ওরা আমাকে ডাকলেও খেলতাম না। আমার কাছে পিএসএলই বড় এবং এমন একটা সময় আসবে, যখন তা আইপিএলকেও ছাড়িয়ে যাবে। পিএসএল উপভোগ করছি। আইপিএলে খেলার দরকার নেই। এটা নিয়ে আগ্রহ নেই, কখনো ছিল না।’

এই অলরাউন্ডার কিন্তু নিজেকে বরাবরই দেশের একজন সৈনিক হিসেবেই ভাবেন। ক্রিকেটার না হলে নাকি সামরিক বাহিনীতেই যোগদান করতেন, ‘ক্রিকেটার না হলে সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতাম। আমার টুইটে প্রতিক্রিয়া দেখানো নিয়ে মোটেও ভাবছি না। এটা বিশ্বাস করি যে সত্য বলেছি এবং সত্য বলার অধিকার আমার আছে। আমি আমার দেশের একজন সৈনিক। আমার দেশই আমার সম্মান, পাকিস্তান আমার কাছে সবকিছু।’

উল্লেখ্য,আইপিএলের প্রথম আসর বসে ২০০৮ সালে। ওপেনিং সংস্করণে ডেকান চার্জাসের হয়ে খেলেন আফ্রিদি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *