টাইগারদের যে রের্কড ভাঙতে পারলো না অস্ট্রেলিয়া

ক্রিকেট

সদ্য সমাপ্ত দুবাই টেস্টে নিজেদের দ্বিতীয় ও ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং দৃঢ়তার পরিচয় দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। উসমান খাজা ও টিম পেইনের গড়ে তোলা দেয়ালে অল্পের জন্য রক্ষা করেছে ম্যাচ; হার এড়িয়ে এনেছে ড্র। এই ম্যাচে অজিদের দৃঢ় ব্যাটিং স্মরণ করিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের দুর্দান্ত একটি ইনিংসকে, যে ইনিংসে একটি রেকর্ডও গড়েছিল টাইগাররা।

২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ইতিহাসে প্রথমবারের মত টেস্ট ও টেস্ট সিরিজ জয়ের দেখা পায় বাংলাদশ। ঐ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট ড্র হয়েছিল। ৩৭৪ রানের প্রায় অসম্ভব এক লক্ষ্যকে সামনে রেখে সেদিন জয়ের চেষ্টা করেনি বাংলাদেশ। কেননা টেস্ট ফরম্যাট কিংবা ম্যাচের পরিস্থিতি বিচার আর তখনকার দলের অবস্থা বিচারে ড্র করাই ছিল কঠিন ব্যাপার।

চতুর্থ দিন দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা বাংলাদেশ ঐ ম্যাচে ব্যাট করেছিল ১৪২ ওভার। যা থেকে এসেছিল ২৮৫ রান, ৫ উইকেটের বিনিময়ে। ঐ ম্যাচে শতক হাঁকিয়েছিলেন তামিম ইকবালের বড় ভাই নাফিস ইকবাল।

৩৫৫ বলের মোকাবেলায় তার ব্যাট থেকে আসে ১২১ রান। অর্ধ-শতক করে অপরাজিত থেকে ড্রয়ের মর্যাদা নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন রাজিন সালেহ। তিনি মোকাবেলা করেছিলেন ১৪০ বল। ৭ রানের জন্য অর্ধ-শতক ছুটে গেলেও ২৫৮ বল মোকাবেলা করে ঐ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের বোলারদের ঘাম ঝরিয়েছিলেন জাভেদ ওমর বেলিম।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ধীর ব্যাটিং করে খাজা ও পেইন এই ম্যাচকে মনে করিয়ে দিয়েছেন যেসব কারণে, সেখানে জড়িয়ে আছে রেকর্ডের ব্যাপারস্যাপার। এশিয়ার মাটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ব্যাট করার রেকর্ড যে বাংলাদেশের ঐ ইনিংসটিই।

দুবাই টেস্টে অস্ট্রেলিয়া ব্যাট করেছে ১৩৯.৫ ওভার। বাংলাদেশের ঐ কীর্তির পরে তো বটেই, এটি রয়েছে ইংল্যান্ডেরও একটি ইনিংসের পেছনে অর্থাৎ তৃতীয় অবস্থানে।

দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইংল্যান্ডের ঐ ইনিংস দেখা গিয়েছিল ২০০৩ সালে, শ্রীলঙ্কায়। ঐ ম্যাচের ফলাফলও ছিল ড্র, যেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪০ ওভার ব্যাট করেছিল ইংলিশরা। সেদিন অবশ্য জেতার জন্য কিঞ্চিৎ চেষ্টা করেছিল চতুর্থ ইনিংসে ব্যাট করা দল ইংল্যান্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *