স্বাধীনতা দিবসে পর্যটকের পদচারণায় মুখর কক্সবাজার

ভ্রমন

সাপ্তাহিক ও স্বাধীনতা দিবসের ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকের পদচারণায় মুখর বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভরা মৌসুমে পর্যটকদের আনাগোনা কমে গেলেও পাল্টে গেছে সেই চিত্র। আবারও কক্সবাজারমুখী হচ্ছেন পর্যটকরা। এতে খুশি পর্যটন ব্যবসায়ীরা। পর্যটকদের নিরাপত্তায় নেয়া হয়েছে বাড়তি ব্যবস্থা।

পর্যটন নগরী কক্সবাজার। প্রতি বছর ভরা মৌসুমে সমুদ্র সৈকতসহ পর্যটন স্পটগুলোতে থাকে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। তবে, রোহিঙ্গা ইস্যুর কারণে চলতি বছর অধিকাংশ সময় পর্যটক শূন্য ছিল কক্সবাজার।

তবে সাপ্তাহিক ছুটি ও স্বাধীনতা দিবসের ছুটিকে কেন্দ্র করে পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকত। শুক্রবার সকাল থেকে বিভিন্ন স্পটগুলোতে বাড়তে থাকে ভ্রমণপ্রিয় মানুষের ভিড়। প্রিয়জনকে নিয়ে সৌন্দর্য উপভোগে মেতে ওঠেন নানা বয়সী মানুষ।

একজন পর্যটক বলেন, ‘২৬ মার্চের ছুটি, শুক্রবারের ছুটি থাকায় ঘুরতে এসেছি।’

আরেকজন বলেন, ‘এসময় একটু গরম হলেও ভাল লাগে, অনেক মানুষ আছে।’

পর্যটকদের নিরাপত্তায় বাড়তি ব্যবস্থা নিয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ।

ট্যুরিস্ট পুলিশ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বী বলেন, ‘ছিনতাই, চুরি ইত্যাদি অপরাধ রুখতে সাদা পোশাকে পুলিশ রাখা হয়েছে।’

এ অবস্থায় লোকসান কিছুটা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব বলে মনে করছেন হোটেল মালিক সমিতির নেতা।

হোটেল মালিক সমিতি মুখপাত্র আবু তালেব শাহ বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুর কারণে পর্যটক একটু ভীত থাকলেও, তারা এখন এটা কাটিয়ে উঠছে।’

হোটেল মালিকদের দেয়া তথ্য মতে, সাপ্তাহিক ও স্বাধীনতা দিবসের ছুটিকে কেন্দ্র করে গত ৩ দিনে কক্সবাজারে ভ্রমণে এসেছে লক্ষাধিক পর্যটক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *