ঘরে এত সুন্দরী বউ রেখেও পরনারীতে আসক্ত ভুয়া সাংবাদিক শাহীন

গণমাধ্যম

মধ্য বয়সী পুরুষ তিনি। ঘরে সুন্দরী বউ। মেয়েটাকেও বিয়ে দিয়েছেন। তবুও পরনারীতে আসক্তি যেন কাটে না তার। দুই দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার শীর্ষে এই ভুয়া সাংবাদিক। একজন নারী সংবাদকর্মীকে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সরাসরি সেক্স করার নোংরা মানসিকতা দেখিয়ে পুরো সাংবাদিক সমাজকে কুলষিত করেছে। কথা হচ্ছিল শাহীন রহমান নামের এই নোংরা মানসিকতার তথাকথিত সাংবাদিককে নিয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শাহীন রহমান কোনোকালেই সাংবাদিক ছিলেন না।

তিনি একজন সংসদ সদস্যের অবৈধ তবে স্বঘোষিত ব্যক্তিগত সহকারী হিসাবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন সংগঠন থেকে চাঁদাবাজি করতেন। এ ক্ষেত্রে সেই সংসদ সদস্য যখন সংসদীয় কমিটির সভাপতি ছিলেন তখন শাহীন রহমান তার হয়ে নিয়মিত বিভিন্ন ব্যবসায়িক সংগঠন থেকে চাঁদা আদায় করতেন। যদিও ওই সংসদ সদস্যকে এ বিষয়ে ফোন করা হলে শাহীন রহমানকে চিনতেন বলে জানিয়েছেন এবং ব্যস্ততার দেখিয়ে আর কথা বলতে রাজি হননি।

শাহীন রহমানের নারী কেলেংকারির কয়েকটি বিষয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে এসেছে। এছাড়া সেই এমপির গেটু (সহযোগী) হিসাবে বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোতে গিয়ে পাশে বসে থাকতেন। এক্ষেত্রে নারী উপস্থাপিকাদের সঙ্গে পরবর্তীতে ভাব জমিয়ে তাদের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক তৈরির চেষ্টা অবিরাম চালিয়ে গেছেন এই নারী লোভী শাহীন। সুস্পষ্টভাবে কয়েকজন ভুক্তভোগী এমনটা নিশ্চিত করেছেন। কি উপায়ে নারীদের পটানোর চেষ্টা করতেন এ বিষয়ে শাহীনের এক মেয়ে বন্ধু এ প্রতিবেদককে বলেন, তিনি প্রথমে টার্গেট করে টাকা পয়সা, উপহার দিতে থাকেন। না নিলে খুব ক্ষেপে যান। পেশিশক্তি বা সেই এমপির জোরে চাকরি খেয়ে ফেলারও হুমকি দেন। এভাবে না হলে নিজের বউয়ের মাধ্যমে বন্ধুত্ব করিয়ে বাসায় নিয়ে দাওয়াত খাওয়ান নিয়মিত। তারপরই অনৈতিক কাজের অফার করে বসেন।

শাহীন রহমানের সঙ্গে ফেসবুকে যেসব মেয়ে বা নারী বন্ধু রয়েছেন তাদের মধ্যে যারা একটু সুন্দরী তাদেরকেই তিনি এই অফার করে থাকেন। ঘরে সুন্দরী বউ রেখেই তিনি এভাবে নারী কেলেংকারি চালিয়ে যাচ্ছেন দিব্যি।

এ বিষয়ে শাহীন রহমানকে ফোন করা হলে তার ব্যবহৃত গ্রামীণ ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *